Logo

Logo

  • Home
  • Latest Notice
  • Class 5
  • Class 6
  • Class 7
  • Class 8
  • Class 9-10
  • Grammer
  • Book Lists
  • More

Copyright 2026 SeraStudy. All rights reserved.

about-uscontact-usprivacy-policyterms-and-conditions

অতিথির স্মৃতি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

AdminAdmin·class-8
May 4, 2026·7 min read min read5.0
অতিথির স্মৃতি গল্পের  সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

অতিথির স্মৃতি গল্পের  সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর  


সৃজনশীল প্রশ্ন- ১: নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও


সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর


০১ দরিদ্র বর্গাচাষি গফুরের অতি আদরের একমাত্র ষাঁড় মহেশ। কিন্তু দারিদ্র্যের কারণে ওকে ঠিকমতো খড়-বিচুলি খেতে। দিতে পারে না। জমিদারের কাছে সামান্য খড় ধার চেয়েও পায় না। নিজে না খেয়ে থাকলেও গফুরের দুঃখ নেই। কিন্তু মহেশকে খাবার দিতে না পেরে তার বুক ফেটে যায়। সে মহেশের গলা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলে- মহেশ, তুই আমার ছেলে। তুই আমাদের আট সন প্রতিপালন করে বুড়ো হয়েছিস। তোকে আমি পেট পুরে খেতে দিতে পারি নে, কিন্তু তুই তো জানিস আমি তোকে কত ভালোবাসি। মহেশ প্রত্যুত্তরে গলা বাড়িয়ে আরামে চোখ বুজে থাকে।


ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দেওঘরে যাওয়ার কারণ কী?


খ. অতিথি কিছুতে ভিতরে ঢোকার ভরসা পেল না কেন? ব্যাখ্যা কর।


গ. উদ্দীপকে মহেশের প্রতি গফুরের আচরণে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের যে দিকটি প্রকাশ পেয়েছে তা ব্যাখ্যা কর। 


ঘ. উদ্দীপকের গফুরের সাথে লেখকের চেতনাগত মিল থাকলেও প্রেক্ষাপট ভিন্ন- 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের আলোকে মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর। 




ক)  শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দেওঘরে যাওয়ার কারণ চিকিৎসকের পরামর্শে বায়ু পরিবর্তন।


খ) চাকরদের ভয়ে লেখকের অতিথি কুকুরটি কিছুতে ভেতরে ঢোকার ভরসা পেল না।


লেখক কুকুরটিকে অন্ধকার পথে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার জন্য বললেন। তার লেজ নাড়তে দেখে লেখক বুঝলেন সে রাজি আছে। তিনি কুকুরটিকে সাথে নিয়ে বাড়ির সামনে এলেন। গেট খুলে ওই কুকুরকে ভেতরে ডাকলেন। কিন্তু কুকুরটি বাইরে দাঁড়িয়ে লেজ নাড়তে লাগল। ভেতরে ঢুকল না কারণ কুকুরটি ভয় পেয়েছিল। সে ভেবেছিল ভেতরে ঢুকলে হয়তো তাকে প্রহার করা হবে।



গ)  উদ্দীপকে মহেশের প্রতি গফুরের আচরণে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখক কুকুরের প্রতি যে স্নেহপূর্ণ আচরণ করেছেন সেই দিকটি প্রকাশ পেয়েছে


পশু-পাখির সাথে মানুষের স্বাভাবিক স্নেহপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান।

অনেক মানুষ পশু-পাখিকে সন্তানস্নেহে লালন-পালন করে। এই পশু-পাখি মানুষের সুখ-দুঃখের সাথিও হয়ে ওঠে।


উদ্দীপকের মহেশ হলো দরিদ্র বর্গাচাষি গফুরের অতি আদরের একমাত্র যাঁড়। দারিদ্র্যের কারণে মহেশকে ঠিকমতো খাবার দিতে পারে না বলে কষ্টে তার বুক ফেটে যায়। সে মহেশের গলা জড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলে, মহেশ তার ছেলে, তাকে পেটপুরে খেতে দিতে না পারলেও তাকে সে অনেক ভালোবাসে। 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখকের অতিথি পথের একটি কুকুর, বেড়াতে যাওয়ার সঙ্গী। লেখক চাকরকে বলেন, কুকুরটি যদি গেটের ভেতরে আসে তবে তাঁকে যেন খাবার দেওয়া হয়। কিন্তু অতিথি গেটের ভেতর না ঢুকে চলে যায়। পরদিন তিনি অতিথিকে গেটের বাইরে দেখে জানতে চাইলেন, গতকাল তার নিমন্ত্রণে সে এলো না কেন। আজ যেন সে খেয়ে যায়, না খেয়ে যেন যায় না। এছাড়াও দেওঘর থেকে ফেরার সময় লেখকের খুব কষ্ট হয় তাকে ছেড়ে আসতে। এভাবে উদ্দীপকের মহেশের প্রতি গফুরের আচরণে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখকের কুকুরের প্রতি স্নেহপূর্ণ আচরণের দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।


ঘ) "উদ্দীপকের গফুরের সাথে লেখকের চেতনাগত মিল থাকলেও প্রেক্ষাপট ভিন্ন।"- মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষের সাথে মানুষের যেমন স্নেহ-মমতার সম্পর্ক বিদ্যমান তেমনই প্রাণীর সাথেও মানুষের মমতার সম্পর্ক তৈরি হতে পারে। পশু-পাখিও মানুষের ভালোবাসা বুঝতে পেরে তার প্রতিদান দেয়।

উদ্দীপকের গফুরের পোষা প্রাণী একটি ষাঁড়- নাম মহেশ। সে দারিদ্র্যের কারণে মহেশকে ঠিকমতো খড়-বিচুলি দিতে পারে না। খাবারের জন্য মহেশের দুঃখের সীমা নেই দেখে সন্তানতুল্য মহেশের গলা জড়িয়ে ধরে কাঁদে গফুর। 'অতিথির স্মৃতি' গল্পে কয়েক দিনের জন্য বেড়াতে আসা লেখকের সাথে একটি কুকুরের সখ্য গড়ে ওঠে। লেখক তাকে বাড়িতে আশ্রয় দেয়। তাকে রেখে বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য লেখকের মনে আগ্রহ ছিল না।


উদ্দীপকের গফুরের সাথে লেখকের প্রাণীর প্রতি সহানুভূতির দিক দিয়ে মিল লক্ষ করা যায়। কিন্তু গফুর দারিদ্র্যের কারণে তার পোষা প্রাণী মহেশকে ঠিকমতো খাবার দিতে পারছে না। 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখক বেড়াতে এসে একটি কুকুরের সাথে স্নেহের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। তিনি চাকরদের দিয়ে তাকে খাবার খেতে দেন। প্রাণীর প্রতি গফুর ও আলোচ্য গল্পের লেখকের মমতা প্রমাণ করে 'চেতনাগতভাবে তারা এক। 



প্রশ্ন ০২: লালমনিরহাটের যুবায়ের প্রায় ১০ বছর ধরে তার পোষাহাতি কালাপাহাড়কে দিয়ে লাকড়ি টানা, চাষ করা, সার্কাস দেখানো ইত্যাদি কাজ করে আসছিল। কিন্তু বর্তমানে দারিদ্র্যের কারণে হাতির খোরাক জোগাড় করতে না পেরে একদিন সে কালাপাহাড়কে বিক্রি করে দিল। ক্রেতা কালাপাহাড়কে নিতে এসে ওর পায়ে বাঁধা রশি ধরে হাজার টানাটানি করে একচুলও নাড়াতে পারল না। কালাপাহাড়ের দুচোখ বেয়ে শুধু টপটপ করে জল গড়িয়ে পড়ছে। পরদিন খদ্দের আরও বেশি লোকজন সাথে করে এসে কালাপাহাড়কে নিয়ে যাবে বলে চলে যায়। কিন্তু ভোরবেলা। যুবায়ের দেখে- কালাপাহাড় মরে পড়ে আছে। হাউমাউ করে সে চিৎকার করে আর বলে- 'ওরে আমার কালাপাহাড়, অভিমান করে তুই চলে গেলি!'



ক. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোন পদক লাভ করেন ? 


খ.  লেখক দেওঘর থেকে বিদায় নিতে নানা অজুহাতে দিন দুই দেরি করলেন কেন? ব্যাখ্যা কর।


গ. কালাপাহাড়ের আচরণ 'অতিখির স্মৃতি' গল্পের অতিথির আচরণ কীভাবে ভিন্ন- বর্ণনা কর।


ঘ. উদ্দীপকের যুবায়েরের অনুভূতি আর 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখকের অনুভূতি একই ধারায় উৎসারিত" মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।


                  ২নং প্রশ্নের উত্তর


ক)  শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'জগত্তারিণী স্বর্ণপদক' লাভ করেন।


খ)  লেখকের অতিথি কুকুরটিকে ছেড়ে যেতে খারাপ লাগার কারণে লেখক দেওঘর থেকে বিদায় নিতে নানা অজুহাতে দিন দুই দেরি করলেন।


'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখক পথে বেড়াতে বের হতেন একা একা। একদিন বাড়ি ফিরতে তার সন্ধ্যা হয়ে যায়, পথের একটি কুকুর সঙ্গী হয়। তারপর থেকে প্রতিদিন কুকুরটি বাড়ির গেটের সামনে লেখকের জন্য অপেক্ষা করে। কুকুরটির এরূপ আচরণে লেখকের মনে কুকুরটির জন্য অকৃত্রিম মমত্ববোধ জেগে ওঠে। তাই দেওঘর থেকে যখন বিদায় নেওয়ার দিন এসে পড়ে তখন কুকুরটিকে. ছেড়ে যেতে খারাপ লাগায় লেখক নানা অজুহাতে দিন দুই দেরি করলেন।


গ)  কালাপাহাড়ের আচরণে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের অতিথির থেকে ভিন্ন। কারণ কালাপাহাড়ের অনুভূতি ও চেতনা অতিথির থেকে বেশি।


মানুষ তার মানবীয় গুণের কারণে পশু-পাখিকে ভালোবাসে। পশু-পাখিও মানুষের সেই আলোবাসা বুঝতে পারে এবং বিভিন্নভাবে তারই প্রতিদান দেয়। স্নেহ-মমতার সম্পর্কের বিচ্ছিন্নতায় পশু-পাখিও কষ্ট পায়।


উদ্দীপকের যুবায়ের ১০ বছরের পোষা হাতি কালাপাহাড়কে দারিদ্র্যের কারণে বিক্রি করে দিয়েছে। কিন্তু সে কিছুতেই তার মনিবকে ছেড়ে যেতে চায়নি। তাই তো শেষ পর্যন্ত সে অভিমানে মরে গেছে। 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের কুকুরটি দুই দিন লেখকের দেখা না পেয়ে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। লেখকের বিদায়ের দিন কুকুরটিও কুলিদের সাথে ছোটাছুটি করতে থাকে, যেন সব ঠিক থাকে। লেখকের বিদায়ের সময় কুকুরটিও স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকে। এভাবে উদ্দীপকের কালাপাহাড় ও অতিথি স্নেহ-মায়া-মমতায় এক হলেও কালাপাহাড়ের আচরণ 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের অতিথির আচরণের থেকে ভিন্ন জীবন। দিয়ে সে নিজের যাওয়া ঠেকায়।


ঘ) উদ্দীপকে যুবায়ের কালাপাহাড়কে নিজের পরিবারের সদস্যের মতো ভালোবাসত। দীর্ঘদিন সে তাকে যত্ন করে লালন-পালন করেছে এবং নিজের কাজে ব্যবহার করেছে। কিন্তু দারিদ্র্যের কারণে ঠিকমতো খাবার দিতে না পারায় কষ্ট পাবে ভেবে সে কালাপাহাড়কে বিক্রি করে দেয়। পরে তার মৃত্যুর খবর শুনে যুবায়ের চিৎকার করে কান্নায় ভেঙে পড়ে। এতে প্রাণীর প্রতি তার গভীর মমত্ববোধ প্রকাশ পায়।

একইভাবে ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখকও কুকুরটির সঙ্গে অল্প দিনের সম্পর্ক হলেও তার প্রতি গভীর স্নেহ অনুভব করেন। কুকুরটিকে ছেড়ে যাওয়ার কষ্টে তিনি দেওঘরে আরও দুদিন থেকে যান। এমনকি বাড়ি ফেরার প্রতিও তার আগ্রহ কমে যায়। এতে বোঝা যায়, লেখকের মনেও প্রাণীর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও সহানুভূতি ছিল।

অতএব, উদ্দীপকের যুবায়ের এবং ‘অতিথির স্মৃতি’ গল্পের লেখক— উভয়ের অনুভূতিতেই মানবেতর প্রাণীর প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা, মমতা ও সহানুভূতি একই ধারায় প্রকাশ পেয়েছে। তাই মন্তব্যটি যথার্থ


সৃজনশীল ০৩: বাদল সাহেব ডায়াবেটিস রোগী। ডাক্তারের পরামর্শে প্রতিদিন বিকেলে হাঁটতে বের হন। হাঁটতে গিয়ে দেখেন তার মতো অনেকেই হাঁটতে বের হয়েছে। যারা হাঁটতে বের হয়েছে তাদের অনেকে স্থূলকায়। একটু হাঁটলেই হাঁপিয়ে যায়। তারপরও তাদের হাঁটার প্রাণপণ চেষ্টা। হঠাৎ বাদল সাহেব দেখতে পান রাস্তার পাশে। একটি বিড়ালছানা অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছে। তিনি বিড়ালছানাটিকে বাসায় নিয়ে যান এবং পরম যত্নে তাকে সুস্থ করে তোলেন।


ক. কী দেখে লেখকের সত্যিকার ভাবনা ঘুচে গেল?


খ. আতিথ্যের মর্যাদা লঙ্ঘন বলতে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পে কী বোঝানো হয়েছে? 


গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত লোকদের হাঁটার প্রাণপণ চেষ্টা 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের কোন দিককে নির্দেশ করে- ব্যাখ্যা কর। 


ঘ. উদ্দীপকের বাদল সাহেবের প্রাণীর প্রতি মমত্ববোধে 'অতিথির স্মৃতি' গল্পের লেখকের মমত্ববোধের পূর্ণাঙ্গ রূপ ফুটে উঠেছে কি? যুক্তিসহ বিশ্লেষণ কর। 






Admin
Admin

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Suspendisse laoreet ut ligula et semper. Aenean consectetur, est id gravida venenatis.

FacebookTwitterInstagram

Popular Posts

  • 01

    Application for full free student ship

    adminingrammer
  • 02

    importance of reading newspaper composition

    adminingrammer
  • 03

    Early Rising (সকালে উঠা) Paragraph

    adminingrammer
  • 04

    Physical exercise paragraph with bangla

    adminingrammer
  • 05

    Patriotism(স্ব-দেশপ্রেম) paragraph

    adminingrammer
  • 06

    A Letter to a Friend About the Importance of Learning English

    adminingrammer